ওসমানীনগরে মঙ্গলচন্ডী নিশিকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৭ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা
ওসমানীনগর ( সিলেট) প্রতিনিধি
যান্ত্রিক জীবনের কর্মব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে নাড়ির টানে এবং বন্ধুত্বের গভীর মমতায় ওসমানীনগরের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলচন্ডী নিশিকান্ত বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রাতে দয়ামীরস্থ ‘পানসি রেস্টুরেন্ট’-এর ভিআইপি লাউঞ্জে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সহপাঠী আতাউর রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৯৭ ব্যাচের বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ দিন পর একে অপরকে কাছে পেয়ে বন্ধুরা মেতে ওঠেন পুরনো দিনের স্মৃতিচারণে। স্কুল জীবনের সেই সোনালী দিনগুলোর গল্প আর আড্ডায় পুরো লাউঞ্জ এক প্রাণোচ্ছল উৎসবে পরিণত হয়।
উদ্যোক্তা আতাউর রহমান জানান, এই মিলনমেলার মূল লক্ষ্য ছিল বন্ধুদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধি, ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করা। তিনি বলেন, "স্কুলের সেই দিনগুলো আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। ব্যস্ততার কারণে আমরা একে অপরের থেকে দূরে থাকলেও মনের টান কখনো ফুরায়নি। এই আয়োজন আমাদের সেই সম্পর্কের সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করবে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সহপাঠীরা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এ ধরণের আয়োজন কেবল আনন্দই দেয় না, বরং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে থাকার মানসিক শক্তিও জোগায়। আড্ডার পাশাপাশি নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
উপস্থিত সকলেই ভবিষ্যতে এই ধরণের মিলনমেলা নিয়মিত আয়োজন করার এবং ব্যাচের পক্ষ থেকে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ওসমানীনগরে মঙ্গলচন্ডী নিশিকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৭ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা
ওসমানীনগর ( সিলেট) প্রতিনিধি
যান্ত্রিক জীবনের কর্মব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে নাড়ির টানে এবং বন্ধুত্বের গভীর মমতায় ওসমানীনগরের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলচন্ডী নিশিকান্ত বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রাতে দয়ামীরস্থ ‘পানসি রেস্টুরেন্ট’-এর ভিআইপি লাউঞ্জে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সহপাঠী আতাউর রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৯৭ ব্যাচের বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ দিন পর একে অপরকে কাছে পেয়ে বন্ধুরা মেতে ওঠেন পুরনো দিনের স্মৃতিচারণে। স্কুল জীবনের সেই সোনালী দিনগুলোর গল্প আর আড্ডায় পুরো লাউঞ্জ এক প্রাণোচ্ছল উৎসবে পরিণত হয়।
উদ্যোক্তা আতাউর রহমান জানান, এই মিলনমেলার মূল লক্ষ্য ছিল বন্ধুদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধি, ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করা। তিনি বলেন, "স্কুলের সেই দিনগুলো আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। ব্যস্ততার কারণে আমরা একে অপরের থেকে দূরে থাকলেও মনের টান কখনো ফুরায়নি। এই আয়োজন আমাদের সেই সম্পর্কের সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করবে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সহপাঠীরা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এ ধরণের আয়োজন কেবল আনন্দই দেয় না, বরং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে থাকার মানসিক শক্তিও জোগায়। আড্ডার পাশাপাশি নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
উপস্থিত সকলেই ভবিষ্যতে এই ধরণের মিলনমেলা নিয়মিত আয়োজন করার এবং ব্যাচের পক্ষ থেকে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন