আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেই না, অন্য সিস্টেমে তেল আনি” — হাজী পারুক মিয়ার বক্তব্যে চাঞ্চল্য, ওসমানীনগরে তোলপাড়



সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেই না, অন্য সিস্টেমে তেল আনি” — হাজী পারুক মিয়ার বক্তব্যে চাঞ্চল্য, ওসমানীনগরে তোলপাড়
ছবি সংগ্রহ নিজস্ব প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দুনিয়ারবন্দ তাজপুর এলাকায় অবস্থিত “মেসার্স রকি পেট্রোলিয়াম”-কে ঘিরে নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট হাজী পারুক মিয়ার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নাকি জানান, “সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেই না, অন্য সিস্টেমে তেল আনি।” তার এমন বক্তব্য এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, যেখানে সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার অকটেনের মূল্য ১৪০ টাকা, সেখানে “মেসার্স রকি পেট্রোলিয়াম”-এ প্রতি লিটার অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রমাণ হিসেবে একটি বিক্রয় মেমোও হাতে এসেছে, যেখানে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

এলাকাবাসী বলছেন, যদি সত্যিই সরকারকে কোনো ট্যাক্স ছাড়া অবৈধভাবে তেল আনা হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রের রাজস্ব ফাঁকিরও গুরুতর অভিযোগ। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের অর্থনীতি ও বৈধ জ্বালানি ব্যবসার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি হলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—কীভাবে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে?

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে জ্বালানি আমদানি, ট্যাক্স ফাঁকি এবং অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের ভাষায়, “সরকার যেখানে জনগণের স্বার্থে নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে, সেখানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ উপায়ে তেল এনে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।”

এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত তদন্ত হোক, সত্য উদঘাটন হোক এবং আইনের আওতায় আনা হোক সকল অনিয়মকারীদের।

বিষয় : #osmani Nagar #সিলেট #বিশ্বনাথ উপজেলা #জামাল পুর #গোপালগঞ্জ

আপনার মতামত লিখুন

 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেই না, অন্য সিস্টেমে তেল আনি” — হাজী পারুক মিয়ার বক্তব্যে চাঞ্চল্য, ওসমানীনগরে তোলপাড়

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দুনিয়ারবন্দ তাজপুর এলাকায় অবস্থিত “মেসার্স রকি পেট্রোলিয়াম”-কে ঘিরে নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট হাজী পারুক মিয়ার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নাকি জানান, “সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেই না, অন্য সিস্টেমে তেল আনি।” তার এমন বক্তব্য এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, যেখানে সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার অকটেনের মূল্য ১৪০ টাকা, সেখানে “মেসার্স রকি পেট্রোলিয়াম”-এ প্রতি লিটার অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রমাণ হিসেবে একটি বিক্রয় মেমোও হাতে এসেছে, যেখানে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

এলাকাবাসী বলছেন, যদি সত্যিই সরকারকে কোনো ট্যাক্স ছাড়া অবৈধভাবে তেল আনা হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রের রাজস্ব ফাঁকিরও গুরুতর অভিযোগ। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের অর্থনীতি ও বৈধ জ্বালানি ব্যবসার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি হলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—কীভাবে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে?

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে জ্বালানি আমদানি, ট্যাক্স ফাঁকি এবং অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের ভাষায়, “সরকার যেখানে জনগণের স্বার্থে নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে, সেখানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ উপায়ে তেল এনে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।”

এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত তদন্ত হোক, সত্য উদঘাটন হোক এবং আইনের আওতায় আনা হোক সকল অনিয়মকারীদের।


 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন


কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আলোর সন্ধানে প্রতিদিন