আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

ওসমানীনগরে জব্দ করা সরকারি চাল বৈধ ঘোষণা, ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় জরিমানা!



ওসমানীনগরে জব্দ করা সরকারি চাল বৈধ ঘোষণা, ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় জরিমানা!
ছবি সংগ্রহ মোঃ রাজন আহমদ

মোঃ রাজন আহমদ, 

নির্বাহি সম্পাদক

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা সরকারি ১২০ বস্তা চাল প্রাথমিকভাবে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে নগদ অর্থদণ্ড করে জব্দকৃত চাল ফেরত দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় তাজপুর বাজারে অবস্থিত ‘আয়ান এন্ড ইয়াকুব বিরিয়ানি হাউজে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা এ সিদ্ধান্ত দেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ১২০ বস্তা চাল জব্দ করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা। পরে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় সরকারি ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ (কাবিখা) কর্মসূচির চাল ক্রয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হলে সেগুলো পর্যালোচনায় চালগুলো বৈধভাবে ক্রয় করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং চাল বাজারজাতের অনুমতি দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আল মাছুম আবির বলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চাঁদাবাজদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। প্রশাসনের তদন্তে তার ক্রয় করা চালের বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিষয় : #bnp #osmani Nagar #সিলেট #বিশ্বনাথ উপজেলা #জামাল পুর

আপনার মতামত লিখুন

 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


ওসমানীনগরে জব্দ করা সরকারি চাল বৈধ ঘোষণা, ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় জরিমানা!

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মোঃ রাজন আহমদ, 

নির্বাহি সম্পাদক

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা সরকারি ১২০ বস্তা চাল প্রাথমিকভাবে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে নগদ অর্থদণ্ড করে জব্দকৃত চাল ফেরত দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় তাজপুর বাজারে অবস্থিত ‘আয়ান এন্ড ইয়াকুব বিরিয়ানি হাউজে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা এ সিদ্ধান্ত দেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ১২০ বস্তা চাল জব্দ করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা। পরে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় সরকারি ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ (কাবিখা) কর্মসূচির চাল ক্রয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হলে সেগুলো পর্যালোচনায় চালগুলো বৈধভাবে ক্রয় করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং চাল বাজারজাতের অনুমতি দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আল মাছুম আবির বলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চাঁদাবাজদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। প্রশাসনের তদন্তে তার ক্রয় করা চালের বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন


কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আলোর সন্ধানে প্রতিদিন