স্টাফ রিপোর্টার:
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজশাহী বিভাগের ২৯ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। অভিযোগ উঠেছে, তারা শিক্ষকতার পাশাপাশি বিবাহ নিবন্ধক (কাজী) হিসেবে আর্থিকভাবে লাভজনক পেশায় যুক্ত রয়েছেন, যা বিদ্যমান নীতিমালার সুস্পষ্ট পরিপন্থী।
মাউশির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে জারি করা নোটিশে বলা হয়েছে, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ধারা ১১.১৭ (ক) অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক পদ, চাকরি বা আর্থিকভাবে লাভজনক কোনো কাজে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্টদের এমপিও সুবিধা বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান জানান, “শুধু এই ২৯ জনই নয়, রাজশাহী বিভাগের আরও যেসব শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত আছেন, তাদেরও চিহ্নিত করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
শোকজপ্রাপ্তদের তালিকায় দেখা যায়, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোর জেলার ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এদের মধ্যে ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্টসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত।
তবে এ ঘটনাকে ঘিরে নতুন বিতর্কেরও জন্ম হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ উঠেছে, একই ধরনের পেশায় যুক্ত থাকা সত্ত্বেও সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ৬নং ইউনিয়নের কাজী মাওলানা মোঃ আবুল কালাম আজাদের নাম এ তালিকায় স্থান পায়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এমপিও নীতিমালা যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেশের সব অঞ্চলে সমানভাবে তদন্ত ও ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় তা বৈষম্যের প্রশ্ন তুলতে পারে।
এদিকে সিলেট অঞ্চলের বিষয়ে এখনো মাউশি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজশাহী বিভাগের ২৯ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। অভিযোগ উঠেছে, তারা শিক্ষকতার পাশাপাশি বিবাহ নিবন্ধক (কাজী) হিসেবে আর্থিকভাবে লাভজনক পেশায় যুক্ত রয়েছেন, যা বিদ্যমান নীতিমালার সুস্পষ্ট পরিপন্থী।
মাউশির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে জারি করা নোটিশে বলা হয়েছে, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ধারা ১১.১৭ (ক) অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক পদ, চাকরি বা আর্থিকভাবে লাভজনক কোনো কাজে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্টদের এমপিও সুবিধা বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান জানান, “শুধু এই ২৯ জনই নয়, রাজশাহী বিভাগের আরও যেসব শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত আছেন, তাদেরও চিহ্নিত করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
শোকজপ্রাপ্তদের তালিকায় দেখা যায়, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোর জেলার ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এদের মধ্যে ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্টসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত।
তবে এ ঘটনাকে ঘিরে নতুন বিতর্কেরও জন্ম হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ উঠেছে, একই ধরনের পেশায় যুক্ত থাকা সত্ত্বেও সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ৬নং ইউনিয়নের কাজী মাওলানা মোঃ আবুল কালাম আজাদের নাম এ তালিকায় স্থান পায়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এমপিও নীতিমালা যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেশের সব অঞ্চলে সমানভাবে তদন্ত ও ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় তা বৈষম্যের প্রশ্ন তুলতে পারে।
এদিকে সিলেট অঞ্চলের বিষয়ে এখনো মাউশি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

আপনার মতামত লিখুন