আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

তিন মাসেও শেষ হয়নি তাজপুর ড্রেন নির্মাণ কাজ, সীমাহীন দুর্ভোগে জনজীবন—প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ



 তিন মাসেও শেষ হয়নি তাজপুর ড্রেন নির্মাণ কাজ, সীমাহীন দুর্ভোগে জনজীবন—প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
ছবি সংগ্রহ মোঃ রাজন আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক,:

তাজপুর ইউনিয়ন-এর ব্যস্ততম এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো তা সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কাজ অসমাপ্ত পড়ে থাকায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ড্রেন নির্মাণ কাজটি শুরু করা হয়। শুরুতে দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কাজের ধীরগতি, মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা এবং যথাযথ তদারকির অভাব নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণ কাজের কারণে সড়কের একাংশ খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম দুর্ভোগ। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তায় কাদা, জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, দোকানদারসহ সর্বস্তরের জনগণকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রেনের কাজের কারণে ক্রেতাদের যাতায়াতে সমস্যা হওয়ায় তাদের ব্যবসায়ও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, ফলে মূল সড়কের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে।

সচেতন মহল মনে করছেন, একটি ছোট অবকাঠামোগত কাজ শেষ করতে যদি তিন মাসের বেশি সময় লেগে যায়, তাহলে এটি শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার বিষয় নয়—এর পেছনে অনিয়ম, গাফিলতি বা সম্ভাব্য দুর্নীতির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কাজের ধীরগতির কারণ বা নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে জনমনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ।

এলাকাবাসীর জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে এবং এই বিলম্বের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সাধারণ জনগণের প্রশ্ন এখন একটাই—এটি কি অবহেলা, নাকি কোনো অদৃশ্য স্বার্থের খেলা? দ্রুত জবাব চায় তাজপুরবাসী।

বিষয় : #bnp #osmani Nagar #সিলেট #বিশ্বনাথ উপজেলা

আপনার মতামত লিখুন

 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


তিন মাসেও শেষ হয়নি তাজপুর ড্রেন নির্মাণ কাজ, সীমাহীন দুর্ভোগে জনজীবন—প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


নিজস্ব প্রতিবেদক,:

তাজপুর ইউনিয়ন-এর ব্যস্ততম এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো তা সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কাজ অসমাপ্ত পড়ে থাকায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ড্রেন নির্মাণ কাজটি শুরু করা হয়। শুরুতে দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কাজের ধীরগতি, মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা এবং যথাযথ তদারকির অভাব নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণ কাজের কারণে সড়কের একাংশ খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম দুর্ভোগ। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তায় কাদা, জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, দোকানদারসহ সর্বস্তরের জনগণকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রেনের কাজের কারণে ক্রেতাদের যাতায়াতে সমস্যা হওয়ায় তাদের ব্যবসায়ও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, ফলে মূল সড়কের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে।

সচেতন মহল মনে করছেন, একটি ছোট অবকাঠামোগত কাজ শেষ করতে যদি তিন মাসের বেশি সময় লেগে যায়, তাহলে এটি শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার বিষয় নয়—এর পেছনে অনিয়ম, গাফিলতি বা সম্ভাব্য দুর্নীতির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কাজের ধীরগতির কারণ বা নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে জনমনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ।

এলাকাবাসীর জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে এবং এই বিলম্বের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সাধারণ জনগণের প্রশ্ন এখন একটাই—এটি কি অবহেলা, নাকি কোনো অদৃশ্য স্বার্থের খেলা? দ্রুত জবাব চায় তাজপুরবাসী।


 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন


কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আলোর সন্ধানে প্রতিদিন