জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুর জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী সুজানা আক্তারকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ারচর গ্রামের মোঃ আমজলের পুত্র আমিনুল ইসলামের সাথে বকশীগঞ্জ উপজেলার টালিয়াপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার কন্যা সুজানা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় চাহিদা মোতাবেক যৌতুক প্রদান করা হলেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমিনুল আরও ২০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে সুজানার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে।
২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল যৌতুকের টাকা না পেয়ে আমিনুল ইসলাম তার স্ত্রী সুজানার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। পাষণ্ড স্বামীর পিটুনিতে সুজানা গুরুতর আহত হলে তাকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহতের পিতা সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আমিনুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, মামলা চলাকালীন আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুর জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী সুজানা আক্তারকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ারচর গ্রামের মোঃ আমজলের পুত্র আমিনুল ইসলামের সাথে বকশীগঞ্জ উপজেলার টালিয়াপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার কন্যা সুজানা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় চাহিদা মোতাবেক যৌতুক প্রদান করা হলেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমিনুল আরও ২০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে সুজানার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে।
২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল যৌতুকের টাকা না পেয়ে আমিনুল ইসলাম তার স্ত্রী সুজানার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। পাষণ্ড স্বামীর পিটুনিতে সুজানা গুরুতর আহত হলে তাকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহতের পিতা সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আমিনুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, মামলা চলাকালীন আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন