মোঃ রাজন আহমদ
নির্বহী সম্পাদক
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের তিন গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থায়। যুগের পর যুগ কাঁচা ও বেহাল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কজুড়ে কাদা-পানি জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে আসলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে এবার এলাকাবাসী দ্বারস্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবিরের কাছে। গত ১ জুলাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নাসের বখত, ওলিউর রহমান ও মাওলানা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।
জানা যায়, তাজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাশিকাপনে গউছুল আলমের বাড়ির মুখে রাঙিয়া-দুরাজপুর সড়ক থেকে শুরু হয়ে গোয়াশপুর-কাশিকাপন সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত রাস্তাটি তিন গ্রামের মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন এ পথ দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন।
তবে সড়কটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো সড়ক। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিতেও মানুষকে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা মাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।
স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরও গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ সড়ক কাঁচা থাকায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রাস্তার আইডি নম্বর ৬৯১০৮৫৩২৩ উল্লেখ করে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়।
প্রতিনিধিদলের সদস্য মাওলানা নাজমুল ইসলাম বলেন, “স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক কাঁচা থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। উপদেষ্টা আবেদনটি গ্রহণ করে সড়কটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”
উপদেষ্টার আশ্বাসে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির আশায় নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন তাজপুর ইউনিয়নের তিন গ্রামের মানুষ।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
মোঃ রাজন আহমদ
নির্বহী সম্পাদক
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের তিন গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থায়। যুগের পর যুগ কাঁচা ও বেহাল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কজুড়ে কাদা-পানি জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে আসলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে এবার এলাকাবাসী দ্বারস্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবিরের কাছে। গত ১ জুলাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নাসের বখত, ওলিউর রহমান ও মাওলানা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।
জানা যায়, তাজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কাশিকাপনে গউছুল আলমের বাড়ির মুখে রাঙিয়া-দুরাজপুর সড়ক থেকে শুরু হয়ে গোয়াশপুর-কাশিকাপন সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত রাস্তাটি তিন গ্রামের মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন এ পথ দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন।
তবে সড়কটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো সড়ক। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিতেও মানুষকে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা মাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।
স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরও গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ সড়ক কাঁচা থাকায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রাস্তার আইডি নম্বর ৬৯১০৮৫৩২৩ উল্লেখ করে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়।
প্রতিনিধিদলের সদস্য মাওলানা নাজমুল ইসলাম বলেন, “স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক কাঁচা থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। উপদেষ্টা আবেদনটি গ্রহণ করে সড়কটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”
উপদেষ্টার আশ্বাসে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির আশায় নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন তাজপুর ইউনিয়নের তিন গ্রামের মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন