আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

বিশ্বনাথে সিএনজিতে তুলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার



বিশ্বনাথে সিএনজিতে তুলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ছবি সংগ্রহ মোঃ আব্দুল হান্নান

মোঃ আব্দুল হান্নান 

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজি অটোরিকসায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই রাত প্রায় ১০টার দিকে ভুক্তভোগী নারী সিলেট নগরের চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি অটোরিকসা ভাড়া করেন। অভিযোগ রয়েছে, চালক সাইদুর রহমান তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক একটি বসতঘরের রান্নাঘরে নিয়ে যায় এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে নগদ ২ হাজার ২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

পরে ভুক্তভোগী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে পনাউল্লাহ বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযানে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে আটক করে।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন—আলমনগর গ্রামের গয়াছ মিয়া (৪৪), আশিক মিয়া (৩০), হায়াতেরগাঁও গ্রামের সাইদুর রহমান (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)।

বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় জানান, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিষয় : #osmani Nagar #সিলেট #বিশ্বনাথ উপজেলা #জামাল পুর #গোপালগঞ্জ #আমারদশ #ঢাকা

আপনার মতামত লিখুন

 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


বিশ্বনাথে সিএনজিতে তুলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

মোঃ আব্দুল হান্নান 

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজি অটোরিকসায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই রাত প্রায় ১০টার দিকে ভুক্তভোগী নারী সিলেট নগরের চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি অটোরিকসা ভাড়া করেন। অভিযোগ রয়েছে, চালক সাইদুর রহমান তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক একটি বসতঘরের রান্নাঘরে নিয়ে যায় এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে নগদ ২ হাজার ২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

পরে ভুক্তভোগী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে পনাউল্লাহ বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযানে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে আটক করে।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন—আলমনগর গ্রামের গয়াছ মিয়া (৪৪), আশিক মিয়া (৩০), হায়াতেরগাঁও গ্রামের সাইদুর রহমান (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)।

বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় জানান, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


 আলোর সন্ধানে প্রতিদিন


কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আলোর সন্ধানে প্রতিদিন