সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, “আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা চাই গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার হোক। বিচার না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আবারও ফিরে আসতে পারে।”
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর উদ্যোগে ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবেগঘন বক্তব্যে লুনা বলেন, “একজন স্বামী, একজন বাবা ও একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য পরিবারের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। বছরের পর বছর ধরে আমরা শুধু সত্য জানতে চাইছি। আমরা চাই, গুমের শিকার প্রতিটি পরিবারের কান্নার জবাব রাষ্ট্র দিক এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।”
তিনি আরও বলেন, “গুম শুধু একজন মানুষকে হারিয়ে ফেলার ঘটনা নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়। তাই এই অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান। তিনি বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে বলি, আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন গুম থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগী। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন এই অভিজ্ঞতার কথা বলে যাব, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আর কখনও এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার না হয়।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থান হতে দেওয়া হবে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মানুষের মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
আলোচনা সভায় বক্তারা গুম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং গুমের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, “আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা চাই গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার হোক। বিচার না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আবারও ফিরে আসতে পারে।”
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর উদ্যোগে ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবেগঘন বক্তব্যে লুনা বলেন, “একজন স্বামী, একজন বাবা ও একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য পরিবারের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। বছরের পর বছর ধরে আমরা শুধু সত্য জানতে চাইছি। আমরা চাই, গুমের শিকার প্রতিটি পরিবারের কান্নার জবাব রাষ্ট্র দিক এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।”
তিনি আরও বলেন, “গুম শুধু একজন মানুষকে হারিয়ে ফেলার ঘটনা নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়। তাই এই অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান। তিনি বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে বলি, আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন গুম থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগী। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন এই অভিজ্ঞতার কথা বলে যাব, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আর কখনও এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার না হয়।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থান হতে দেওয়া হবে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মানুষের মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
আলোচনা সভায় বক্তারা গুম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং গুমের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন