সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কিত্তে কমরপুর (সিকন্দরপুর) গ্রামের আলোচিত সামাদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তৃতীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
জানা যায়, গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংঘটিত সামাদ হত্যা ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকলেও টানা অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ৮ জুন ২০২৬ তারিখে র্যাব-১১, সিপিসি-১-এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি সাকিল মিয়া (পিতা: আব্দুল জব্বার) এবং ৩ নম্বর আসামি রুবেল মিয়া (পিতা: মৃত আব্দুল খালিক)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তারকৃত দুজনই ওসমানীনগর উপজেলার কিত্তে কমরপুর (সিকন্দরপুর) গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
দীর্ঘ তিন মাস পর মামলার গুরুত্বপূর্ণ দুই আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহত সামাদের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, সামাদ হত্যা মামলাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মামলার প্রধান আসামিসহ গুরুত্বপূর্ণ দুই আসামির গ্রেপ্তারকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কিত্তে কমরপুর (সিকন্দরপুর) গ্রামের আলোচিত সামাদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তৃতীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
জানা যায়, গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংঘটিত সামাদ হত্যা ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকলেও টানা অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ৮ জুন ২০২৬ তারিখে র্যাব-১১, সিপিসি-১-এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি সাকিল মিয়া (পিতা: আব্দুল জব্বার) এবং ৩ নম্বর আসামি রুবেল মিয়া (পিতা: মৃত আব্দুল খালিক)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তারকৃত দুজনই ওসমানীনগর উপজেলার কিত্তে কমরপুর (সিকন্দরপুর) গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
দীর্ঘ তিন মাস পর মামলার গুরুত্বপূর্ণ দুই আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহত সামাদের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, সামাদ হত্যা মামলাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মামলার প্রধান আসামিসহ গুরুত্বপূর্ণ দুই আসামির গ্রেপ্তারকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন