সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আসামপুর গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি বাড়ির সীমানা দেয়াল ভাঙচুরের ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম ও মুরছালিনের মধ্যে বাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত বুধবার সকালে আবুল কালামের পক্ষের লোকজন মুরছালিনের বাড়ির সীমানা দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও মুরছালিন পক্ষের সংযমী অবস্থানের কারণে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
সোমবার (৮ জুন) সরেজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মুরছালিন জানান, “প্রবাসী আবুল কালামের কেয়ারটেকার দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা পরিকল্পিতভাবে বাড়ির সীমানা দেয়াল ভেঙে ফেলে এবং স্থাপিত সিসি ক্যামেরা নষ্ট করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। আমরা বাধা দিতে গেলে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিপক্ষের বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, যে জায়গায় দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব মালিকানাধীন এবং সেখানে অন্য কারও কোনো অংশ বা স্বত্ব নেই।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালামের কেয়ারটেকার দুলাল মিয়া বলেন, “বাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। সেই বিরোধের কারণেই দেয়াল ভাঙার ঘটনা ঘটেছে।”
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আসামপুর গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি বাড়ির সীমানা দেয়াল ভাঙচুরের ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম ও মুরছালিনের মধ্যে বাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত বুধবার সকালে আবুল কালামের পক্ষের লোকজন মুরছালিনের বাড়ির সীমানা দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও মুরছালিন পক্ষের সংযমী অবস্থানের কারণে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
সোমবার (৮ জুন) সরেজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মুরছালিন জানান, “প্রবাসী আবুল কালামের কেয়ারটেকার দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা পরিকল্পিতভাবে বাড়ির সীমানা দেয়াল ভেঙে ফেলে এবং স্থাপিত সিসি ক্যামেরা নষ্ট করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। আমরা বাধা দিতে গেলে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিপক্ষের বিভিন্ন ধরনের হুমকির কারণে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, যে জায়গায় দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব মালিকানাধীন এবং সেখানে অন্য কারও কোনো অংশ বা স্বত্ব নেই।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালামের কেয়ারটেকার দুলাল মিয়া বলেন, “বাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। সেই বিরোধের কারণেই দেয়াল ভাঙার ঘটনা ঘটেছে।”
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন