হবিগঞ্জ জেলায় সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছে “মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা” এর সিলেট বিভাগীয় কমিটি।
সংগঠনটির দাবি, জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনও বহু অসহায় ও ভূমিহীন পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁই পর্যন্ত নেই। অথচ সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ঘর পেয়েছেন এমন অনেক ব্যক্তি, যাদের নিজস্ব বাড়ি, জমিজমা, ব্যবসা কিংবা চাকরি রয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঘর বরাদ্দের সময় একটি অসাধু চক্র মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকাভুক্ত করে। যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই এসব ব্যক্তির নামে সরকারি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রকৃত অসহায় ও গৃহহীন মানুষ যেন সরকারের এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অনিয়মকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে যারা অবৈধভাবে সরকারি ঘর দখল করে আছেন, তাদের কাছ থেকে ঘর উদ্ধার করে প্রকৃত হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে পুনরায় বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
“মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা” এর সিলেট বিভাগীয় কমিটি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
হবিগঞ্জ জেলায় সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছে “মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা” এর সিলেট বিভাগীয় কমিটি।
সংগঠনটির দাবি, জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনও বহু অসহায় ও ভূমিহীন পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁই পর্যন্ত নেই। অথচ সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ঘর পেয়েছেন এমন অনেক ব্যক্তি, যাদের নিজস্ব বাড়ি, জমিজমা, ব্যবসা কিংবা চাকরি রয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঘর বরাদ্দের সময় একটি অসাধু চক্র মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকাভুক্ত করে। যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই এসব ব্যক্তির নামে সরকারি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রকৃত অসহায় ও গৃহহীন মানুষ যেন সরকারের এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অনিয়মকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে যারা অবৈধভাবে সরকারি ঘর দখল করে আছেন, তাদের কাছ থেকে ঘর উদ্ধার করে প্রকৃত হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে পুনরায় বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
“মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা” এর সিলেট বিভাগীয় কমিটি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন